ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারে চলতি মাসে ৭০ টাকা দাম বেড়েছে। অন্যদিকে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটারপ্রতি ৭৪ টাকা ৪০ থেকে কমিয়ে ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গতকাল নতুন এ দাম ঘোষণা করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম বেড়ে যায়। গত এপ্রিলে দেশের ইতিহাসেও সর্বোচ্চ দাম বাড়ে এলপিজির। এপ্রিলের শুরুতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম বাড়ানো হয় ৩৮৭ টাকা। এরপর ১৯ এপ্রিল আবার বাড়ানো হয় ২১২ টাকা। তবে জুন ও জুলাইয়ে টানা দুই মাস দাম কমানো হয় দেশে। গত মাসে ৩৫৭ টাকা কমে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা।
বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা। এ হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে, যা আগে ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা।
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা। গ্যাস–সংকটে পড়ে অনেকেই বাসায় রান্না করতে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন।
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে দাম ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।